ঢাকায় এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন ঢাকা জেলা ও মহানগর কমিটি গঠনকল্পে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ মে রোজ শনিবার বিকাল ৪ টায় ঢাকা পল্টনস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ কনফারেন্স হলে এই সভা সম্পন্ন হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মোঃ ফরিদুল আলম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী এই সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ আলী বলেন দেশের সার্বিক উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অনন্য, আর তাই মানবিক মনের অধিকারী ও মানব সেবায় নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করার মতো স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে দেশের উন্নয়নের সহযাত্রী হিসেবে কাজ করার অঙ্গীকার করে ঢাকায় কমিটি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এই সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর জাতীয় শ্রমিকশীগৈর সহ সভাপতি কাজী মোঃ মাসুদ, মোঃ ফাহিম আহমেদ, লায়ন মোঃ আবুল বশর, মোঃ লাবিব ছিদ্দিক, মোঃ রিপন মোল্লা, মোঃ ফরিদ গাজী, আব্দুল লতিফ আহমেদ, সাথী ইসলাম, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, প্রমূখ। উক্ত সভায় আগা...
বর্তমানে ভোগান্তির নতুন নাম জন্মসনদ ভোগান্তি। জন্মসনদ তৈরি করতে ভোগান্তির স্বীকার হয় নি এমন মানুষ খুজেঁ পাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পুঁজি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে দালাল চক্র। দ্রুত সময়ের মধ্যে জন্মসনদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্ট, চাকরিতে যোগদান, জাতীয় পরিচয় পত্র সহ নাগরিক সেবার ১৯ টি ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় জন্মসনদ। যা বর্তমানে জন্মসনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিলও বলা যায়। যা সবার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে বিশেষ প্রয়োজন। এমন কি কেউ মারা গেলেও মৃত্যু সনদ করতে প্রয়োজন হয় জন্মসনদের। মৃত্যু সনদ ব্যতিত উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা যায় না। এক কথায় সব মিলে একজন নাগরিকের এই সনদ টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত করা যায় জন্মসনদ এতটাই প্রয়োজন যে যা তৈরি করতে বিভিন্ন দালাল চক্রের খপ্পর পড়তে বাধ্য হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে সনদ দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েও সঠিক সময়ের মধ্যে পাচ্ছে না সনদ। বিভিন্ন সার্ভার সমস্যার অযুহাতে বিলম্বিত হচ্ছে। অনলাইনে আবেদন করার পরও সার্ভার সমস্যা,পিতা মাতার নামের বানান ভুল, অনলাইন কপিত...
৮ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মোহাম্মদ আলী বলেন গভীর উদ্বেগ ও ব্যথার সাথে লক্ষ্য করছি যে, ফিলিস্তিনে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সহিংসতা, দমন-পীড়ন ও গণহত্যার ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে পবিত্র ভূমি, যেখানে শিশুর কান্না, নারীর আহাজারি ও অসহায় মানুষের আর্তনাদ প্রতিদিন আমাদের হৃদয় বিদীর্ণ করে। এই আগ্রাসনে শুধু নারী ও শিশুই নয়, পুরো একটি জাতি তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা, বসবাসের অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, এমনকি খাদ্য ও পানির মতো ন্যূনতম চাহিদাও আজ সেখানে অপ্রতুল। বোমার শব্দ সেখানে ঘুম ভেঙে দেয়, শান্তি সেখানে বিলুপ্তপ্রায় এক অনুভূতি। তিনি আরও বলেন,এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং আমরা এই নৃশংস ও অমানবিক আগ্রাসনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। পাশাপাশি আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংস্থা এবং শান্তিকামী সকল রাষ্ট্র ও সংগঠনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি—তারা যেন অবিলম্বে ফিলিস্তিনে এই সহিংসতা বন...
Comments
Post a Comment