৮ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মোহাম্মদ আলী বলেন গভীর উদ্বেগ ও ব্যথার সাথে লক্ষ্য করছি যে, ফিলিস্তিনে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সহিংসতা, দমন-পীড়ন ও গণহত্যার ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে পবিত্র ভূমি, যেখানে শিশুর কান্না, নারীর আহাজারি ও অসহায় মানুষের আর্তনাদ প্রতিদিন আমাদের হৃদয় বিদীর্ণ করে। এই আগ্রাসনে শুধু নারী ও শিশুই নয়, পুরো একটি জাতি তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা, বসবাসের অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, এমনকি খাদ্য ও পানির মতো ন্যূনতম চাহিদাও আজ সেখানে অপ্রতুল। বোমার শব্দ সেখানে ঘুম ভেঙে দেয়, শান্তি সেখানে বিলুপ্তপ্রায় এক অনুভূতি। তিনি আরও বলেন,এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং আমরা এই নৃশংস ও অমানবিক আগ্রাসনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। পাশাপাশি আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ, মানবাধিকার সংস্থা এবং শান্তিকামী সকল রাষ্ট্র ও সংগঠনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি—তারা যেন অবিলম্বে ফিলিস্তিনে এই সহিংসতা বন...
বর্তমানে ভোগান্তির নতুন নাম জন্মসনদ ভোগান্তি। জন্মসনদ তৈরি করতে ভোগান্তির স্বীকার হয় নি এমন মানুষ খুজেঁ পাওয়া যাবে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পুঁজি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে দালাল চক্র। দ্রুত সময়ের মধ্যে জন্মসনদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পাসপোর্ট, চাকরিতে যোগদান, জাতীয় পরিচয় পত্র সহ নাগরিক সেবার ১৯ টি ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় জন্মসনদ। যা বর্তমানে জন্মসনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিলও বলা যায়। যা সবার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে বিশেষ প্রয়োজন। এমন কি কেউ মারা গেলেও মৃত্যু সনদ করতে প্রয়োজন হয় জন্মসনদের। মৃত্যু সনদ ব্যতিত উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা যায় না। এক কথায় সব মিলে একজন নাগরিকের এই সনদ টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত করা যায় জন্মসনদ এতটাই প্রয়োজন যে যা তৈরি করতে বিভিন্ন দালাল চক্রের খপ্পর পড়তে বাধ্য হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে সনদ দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েও সঠিক সময়ের মধ্যে পাচ্ছে না সনদ। বিভিন্ন সার্ভার সমস্যার অযুহাতে বিলম্বিত হচ্ছে। অনলাইনে আবেদন করার পরও সার্ভার সমস্যা,পিতা মাতার নামের বানান ভুল, অনলাইন কপিত...
বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের র্যালী ১৫ মার্চ বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে চট্টগ্রামে র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মুহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে উক্ত র্যালীতে যোগদান করেন এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের পরিচালক সামসুন নাহার সামু, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সমন্বয়ক মোঃ ফয়জুল আলম প্রিন্স। উক্ত র্যালী টি কাজির দেউরি থেকে বের হয়ে আসকার দিঘীর পাড়, জামালখান সহ বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিন করে প্রেসক্লাব এসে শেষ হয়। এই সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়ন করতে হলে সকলে যার যার অবস্থান থেকে সোচ্চার হতে হবে এবং ভেজালের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করতে হবে তবেই ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত হবে।
Comments
Post a Comment