চট্টগ্রামে গণপরিবহনে সংঘবদ্ধ চক্রের দৌরাত্ম্য ; আতঙ্কে সাধারণ মানুষ - শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী
চট্টগ্রামে গণপরিবহনে সংঘবদ্ধ চক্রের দৌরাত্ম্য ; আতঙ্কে সাধারণ মানুষ - শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী
চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আতঙ্কের নাম গণপরিবহনে সংঘবদ্ধ চক্রের দৌরাত্ম্য। বাসে উঠলেই দেখা যায় কিছু সংঘবদ্ধ চক্রের ; বিভিন্ন মোড়ে থেকে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা বাসে উঠে হুড়োহুড়ি করে এবং সেই হুড়োহুড়ি মধ্যেই যাত্রীদের কাছ থেকে কৌশল মোবাইল মানিব্যাগ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ছিনিয়ে নেয়। এই চক্রের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলছে। দেখা যায় চট্টগ্রাম ইপিজেড,কাস্টমস, আগ্রাবাদ,টাইগারপাস, মার্কেট এদিকে আবার বড়পুল,নয়াবাজার, সাগরিকা ও অলংকার সহ বিভিন্ন এলাকায় এর উপদ্রব বেশি দেখা যাচ্ছে। গতকিছু দিন আগে আমি নিজেই এই চক্রের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম। যার বাস্তব কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি তাহলো; আমি এবং আমার এক বন্ধু সিআরবি যাওয়ার উদ্দেশ্য সল্টগোলা ক্রসিং থেকে ৬ নম্বর বাসে উঠলাম, বাস টি যখন যাত্রীর জন্য কাস্টমস এসে থামলো ঠিক সেই মুহুর্তে প্রায় ৮-১০ জনের মতো কিছু ছেলে হুড়োহুড়ি করে বাসে উঠলো। বাসে উঠে মাত্রই দেখলাম একজন আরেক জন কে ধাক্কা দিচ্ছে এবং কেউ কিছু বললে তাদের উপর চড়াও হচ্ছে এবং তারা খুবই উত্তেজিত ভাবে বাসের অন্য সাধারণ যাত্রীদের সাথে কথা বলছে। তখনই আমার বুঝতে দেরি হলো না যে তারা সংঘবদ্ধ চক্র। যাত্রীরা বুঝতে পেরে সবাই সাধবান হয়ে যান এমতাবস্থায় কিছুক্ষন পর একে একে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য সবাই নেমে গেলো।
এইভাবে এই চক্রের সদস্যরা প্রতিদিন গণপরিবহনে যাত্রীদের কে হয়রানি করে যাচ্ছে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিচ্ছে। দিনে দুপুরে মানুষের নাকের ডগা দিয়ে চলছে এই চক্রের কাজ। কোন কিছুর তোয়াক্কাই করছে না। এই চক্রের দৌরাত্ম্য রোধে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকার পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সোচ্চার হতে হবে এবং এই চক্র কে প্রতিহত করতে হবে। না হয় এই চক্রের দ্বারা সাধারণ মানুষ সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়বে।

Comments
Post a Comment